Wellcome to National Portal
মেনু নির্বাচন করুন
Main Comtent Skiped

খেলাধুলা ও বিনোদন

 

খেলাধুলাঃ

 

ফুটবলঃ

 

কচুয়া উপজেলায় ফুটবল খেলার জন্য আন্ধারমানিক গ্রামের খুব সুনাম রয়েছে।এই গ্রামে কয়েক জন বিখ্যাত ফুটবলার রয়েছে।

আন্ধারমানিকের সাথে মঘিয়ায় ও অনেক ফুটবলার রয়েছে।

 ০১। মুজিবর শেখ, মোবাইল নং-০১৯৩২৯৭০৩৯৫।

 ০২। সাইফুল ইসলাম খোকন, অধ্যক্ষ্য মহিলা কলেজ

 ০৩।বাবু সিকদার

 ০৪। পলাশ সিকদার

 ০৫। তুলিফ সিকদার

 ০৬।বাপ্পি

 ০৭। সঞ্জয় পরামানিক

 ০৮।বাবুল

 ০৯।সুমন শেখ

 ১০।বিপ্লব

 

ক্রিকেটঃ

   

মঘিয়া ইউনিয়নের ক্রিকেটারের সুনাম রয়েছে কয়েকটি জেলাব্যাপী। বিভিন্ন জেলা থেকে হায়ার করে নিয়ে যায় এখানের খেলোয়ার।

   কয়েকজন খেলোয়ারের নামঃ

   ০১। নিলয় সিকদার

   ০২। সুমন শেখ

   ০৩। দেব সিকদার

   ০৪। তুলিফ সিকদার

   ০৫।মানষ

   ০৬।পলাশ সিকদার

 

 

ব্যাড মিনন্টনঃ

ব্যাড মিনন্টল খেলোয়ারের ও অনেক সুনাম রয়েছে। ভালো ব্যাড মিনন্টল খেলোয়ারের নামঃ ০১। বিবেক মুজমদার ০২। মনি মন্ডল ০৩। দেব সিকদার ০৪। প্রশান্ত ঘরামী ০৫। সুজিত ০৬।সাইফুল ইসলাম ০৭।বাবুল

 

বিনোদনঃ

 

বিনোদন বলতে এখানে রয়েছে অনেক নামকরা শিল্পী যাদের গানের সুরে কোকিলও হার মানে।এমন কয়েকজন শিল্পীর নাম ও পরিচয়ঃ ০১।মাধুরী সিকদারঃবড় আন্ধারমানিক সিকদার বাড়ীর মলয় সিকদারের কনিষ্ঠা কন্যা। তিনি বাংলাদেশ বেতার খুলনার একজন নামকরা শিল্পী। এছাড়া ও অনেক জায়গায় ভক্তিমূনক গানে তার যথেষ্ট সুনাম রয়েছে। ০২।মুক্তা সিকদারঃবড় আন্ধারমানিক সিকদার বাড়ীর অহিন্দ্র সিকদারের কন্যা। তিনি বাগেরহাট জেলায় অনেক কয়েকবার প্রথম স্থান অধিকার করেছেন। আধুনিক গানে তার সুনাম রয়েছে। ০৩।মৌসুমী মিস্ত্রীঃ ছোট আন্ধারমানিক মিস্ত্রী বাড়ীর মিলন মিস্ত্রীর একমাত্র কন্যা। তিনি আবু নাসের মহিলা কলেজের ছাত্রী ছিল। বর্তমানে সে এখন ঢাকা ভার্সিটির ছাত্রী। শিল্পী হিসেবে আবু নাসের মহিলা কলেজে তার যথেষ্ট সুনাম আছে। ঐ কলেজে সর্ব কালের শ্রেষ্ট শিল্পী হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। আধুনিক গানে তার সুনাম রয়েছে। বর্তমানে সে ঢাকা শিল্পকলা একাডেমীর একজন নিয়মিত শিল্পী। ০৪।তাপস গাইনঃ বড় আন্ধারমানিক গ্রামের গুনী শিল্পী হিসেবে তার সুনাম রয়েছে।কচুয়া একাডেমীর নামকরা শিল্পী। ০৫।সঞ্জয় মন্ডলঃ বড় আন্ধারমানিক গ্রামের মন্ডল বাড়ীর ছেলে সঞ্জয় মন্ডল । বিগত দশ বছর ধরে তার সু-নাম কয়েকটি থানা জুরে আছে। তার গানে খুশি হয়ে বাগেরহাটের জেলা সংস্কৃতিক ফাউন্ডেশন থেকে কয়েকবার উপহার দিয়েছেন। বর্তমানে তিনি একটি স্কুলে শিক্ষকতা করছেন এবং গ্রামর ছেলে মেয়েদের গান শিখাচ্ছেন।